হারানোর পথে গরীবের এসি খ্যাত মাটির বাড়ি
ইমরান হোসেন, বগুড়া: হারানোর পথে গরীবের এসি খ্যাত মাটির বাড়ি। সরেজমিনে বগুড়া জেলার কয়েকটি উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে গ্রাম বাংলার চির চেনা মাটির ঘর এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। জেলার শেরপুর, কাহালু, নন্দীগ্রাম, ধুনট, দুপচাছিয়া, আদমদীঘীতে সকল উপজেলায় বেশি পরিমান মাটির ঘর ভেঙ্গে ফেলে নতুন করে মটির ঘড় নিমান করা হচ্ছে। একাধিক এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা হলে তারা বিডি লাইভ টুয়েন্টি ফোর কে জানান, মাটির ঘড়ে বসবাস করার অনেক শান্তি। কারন ইটের ঘরের ভিতরে গরম হয় অনেক বেশি কিন্তুু মাটির ঘরে ঠান্ডা আবহাওয়া পাওয়া যায়। ইটের তৈরী বাড়ীতে শীতকাল এলে প্রচন্ড ঠান্ডা লাগে কিন্তুু মাটির ঘরে গরম আবহাওয়া তৈরী হয়। বগুড়া জেলায় সাধারনত পূর্ব অঞ্চলের চাইতে পশ্চিম অঞ্চলে মাটির বাড়ি চখে পড়ে বেশী, বালি মাটি ও আটালে মাটির মিশ্রনে তৈরী হয় মাটির বাড়ি অনেক বাড়ি দু তলা পযুন্ত হয়ে থাকে এবং দুতলার উপরে টিনের ছাউনির নিচে বিশাল জায়গা থাকে যেখানে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল ধান, গম ,চাল, সরিষা ইত্যাদি মজুদ করে রাখে। এবং বর্ষার সময় ধান শুকানোর জন্য মাটির ঘরের তালা ব্যবহার করে থাকেন। অনেক সৌখিন মানুষ ঘরের ভিতরে কারুকার্য অংকন করে থাকে ও ওয়ালে রং ব্যবহার করে থাকেন দেখে বুঝার উপায় থাকেনা যে এটি মাটির তৈরী ঘড়। অনেক মাটির বাড়ির বয়স প্রায় শত বছর পেড়িয়ে গেলেও এখনো শক্ত ভাবে দাড়িয়ে আছে। কেউবা ইটের ঘড়ের সঙ্গে মাটির ঘড় রেখেছেন বাবার শেষ সৃতি হিসাবে। বর্তমানে যে ভাবে ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে মাটির তৈরী ঘড় এভাবে চলতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যে প্রায় চিরতরে হারিয়ে যাবে গ্রাম বাংলার চির চেনা মাটির ঘর।



