২০ ঘন্টা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালরে মারা গেলেন জুয়েল; খুনীদের ধরতে রৌমারী পুলিশিংয়ের জরুরী সভা
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী থানায় মঙ্গলবার বিকাল ৩ টার সময় জুয়েলের খুনিদের ধরতে বন্দবেড় ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বন্দবেড় ইউনিয়ন, সকল ওয়ার্ড, কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি সম্পাদকদের সেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী জুয়েলের খুনিদের গ্রেফতার সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করেন অফিসার ইনচার্জ এ বি এম সাজেদুল ইসলাম। এসময় উপস্তিত ছিলেন বন্দবেড় ইউনিয়ন পুলিশিং কমিটির সম্পাদক মো. আবু হানিফ মাস্টারসহ সকল ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি সম্পাদকরা। ভলিবল খেলার জের ধরে ২০ মার্চ রাতে ১টার সময় খনজনমারা গ্রাম থেকে বাড়ী ফেরার পথে তাকে এ্যালোপাতারি কুপিয়ে ধানক্ষেতে ফেলে যায় খুনিরা। মাথা থেকে পা পর্যন্ত অন্তত ৪০টি ছুরিকাঘাত। প্রতিটা নিশ্বাসের সাথে সাথে ফিমকি দিয়ে বেরিয়ে আসছে রক্ত। কিন্তু তখনও জ্ঞান হারাননি জুয়েল আহমেদ। পড়ে আশপাশের মানুষ এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রৌমারী হাসপাতাল, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ এবং অবশেষে শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ২০ ঘন্টা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জুয়েল। জুয়েল মহিলা কলেজপাড়া গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমানের ছেলে।



