কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দুর্ভোগে বানভাসীরা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। চর-দ্বীপচর ও নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ী থেকে পানি সরে না যাওয়ায় এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি এসব এলাকার লক্ষাধিক মানুষ।
বন্যা দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট। দেখা দিয়েছে পানি বাহিত নানা রোগ। গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে বানভাসীরা।
রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় বাধ, পাকা সড়ক ও সেতু-কালভার্ট ভেঙ্গে গ্রামাঞ্চলের সাথে উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সরকারের পাশাপাশি ব্যাক্তি উদ্যোগে ত্রান তৎপড়তা শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রানের জন্য চলছে ছুটাছুটি।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক খান মোঃ নুরুল আমিন জানান, এ পর্যন্ত বন্যার্তদের জন্য ৫০০ মেট্রিক টন চাল ও ১৪ লাখ টাকা বিতরন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় চিলমারী পয়েন্ট ব্রহ্মপুত্রের পানি ২০ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার এবং সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ২৮ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর