Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

বেনাপোল বাড়ছে অবৈধ পারাপার ও চোরাচালান

বেনাপোল প্রতিনিধি, যশোর:
দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল চেকপোস্টের রপ্তানি ফটকে বিজিবি ও পুলিশের উপস্থিতি না থাকায় অরক্ষিত হয়ে পড়েছে চেকপোস্টসহ বন্দরের আশপাশের এলাকা। আর এই সুযোগে জমে উঠেছে চোরাচালানীদের অবৈধ পারাপার। অভিযোগ উঠেছে যে, বিএসএফের সহযোগিতায় ভারতীয় চোরাচালানীরা বাংলাদেশে তাদের মহিলা ও কিশোর চোরাকারবারীদের প্রবেশের সুযোগ করে দিচ্ছে। ফলে চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য নিয়ে নির্বিঘেœই চোরাচালানীরা বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারছে।
জানা গেছে, ভারত থেকে শাড়ি, থ্রিপিস, শাল, সোয়েটার, জুতা, বিছানার চাদর, বিভিন্ন প্রকার বিস্কুট, চানাচুর, চকলেট, শোনপাপড়ি, কাজু বাদামসহ কসমেটিক্স দ্রব্যাদি নিয়ে বাংলাদেশি ও ভারতীয় চোরাকারবারীরা অবাধে এ দুই দেশে যাতায়াত করছে। আর এসব মালামালের আড়ালে গাজা, ফেনসিডিল এবং নানা ধরনের মাদক দ্রব্যও বাংলাদেশে আনা নেওয়া হচ্ছে বলে সীমান্তের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে বেনাপোল চেকপোস্টের রপ্তানি ফটকে গিয়ে দেখা যায় বিজিবি, পুলিশের কোন ডিউটি সেখানে নেই। মহিলা চোরাচালানীদের তল্লাশি অথবা আটক না করায় অনেকে সোনা পাচারের সাথেও জড়িয়ে পড়ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমদানি-রপ্তানি কাজে নিয়োজিত এক ব্যক্তি জানায় পূর্বে এই গেইটের উত্তর পাশে পুলিশ এবং দক্ষিণ পাশে বিজিবি সদস্যরা পাহারা দিত। কিন্তু বর্তমানে এ স্থানে প্রশাসনের কোন লোক না থাকায় অবৈধ যাতায়াত ও চোরাচালানীদের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে। রপ্তানিপণ্য বোঝাই ট্রাকের সারির ফাঁক-ফোকড় দিয়ে চোরাচালানীদের মালামাল নিয়ে যত্রতত্র যাতায়াত করতে দেখা যায়। এতে করে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে প্রাণহানির ঘটনাও।
এ ব্যাপারে বেনাপোল চেকপোস্ট বিজিবি আইসিপি ক্যাম্পের সুবেদার আয়ুব হোসেন জানান, “রপ্তানি গেটে বিজিবির কোন ডিউটি নেই। গেটের অদূরে ভারত-বাংলাদেশ রেল লাইনের উপরে বিজিবির একটি পোস্ট রয়েছে সেখানে সার্বক্ষণিক বিজিবি টহল দিচ্ছে।”
অপরদিকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম খান জানান, ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসে পাসপোর্টে সিল প্রদান ছাড়া সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চেকপোস্টের প্রধান গেটে পাসপোর্ট চেকিং এর দায়িত্বে থাকে। রপ্তানি গেটে ইমিগ্রেশন পুলিশের কোন ডিউটি নেই। বিষয়টি আমদানি-রপ্তানির সাথে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.