Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

সৈয়দপুরে ট্রাফিক পুলিশদের সাথে ভালবাসা বিনিময়

নীলফামারী প্রতিনিধি: ভালোবাসার শ্রেণীবিভাগ করতে বা এর সংজ্ঞা খুঁজতে গিয়ে কখনও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘সখী ভালোবাসা কারে কয়?’ কিংবা কখনও গেয়েছেন ‘আমারও পরাণও যাহা চায়, তুমি তাই.. তুমি তাই গো!’

ভালোবাসার বিনিময় আর অভিব্যক্তি প্রকাশের ধরণেও যেমন রয়েছে ভিন্নতা ঠিক তেমনি কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জুটির মধ্যে রয়েছে ভালোবাসা প্রকাশের সীমাবদ্ধতা ।

সাধারণ অর্থে বা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালোবাসা দিবসে প্রেমিক-প্রেমিকারাই একে অপরের সাথে প্রেম বিনিময় করে থাকে। আর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে ফুল। কিন্তু ভালোবাসার অর্থ শুধু প্রেমিক যুগলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিরল এক দৃষ্টান্তের সৃষ্টি করল নীলফামারী জেলার শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পত্রিকা নীলফামারীনিউজ। পত্রিকার উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের মেলবন্ধনের দিনে নীলফামারী জেলার শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পত্রিকা নীলফামারীনিউজের আয়োজনে এবার ব্যাতিক্রমী ভালোবাসা দিবস উদযাপিত হলো।

ভালোবাসা দিবস উদযাপন উপলক্ষে নীলফামারীনিউজ পরিবার সৈয়দপুরে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশদের সাথে ভালবাসা দিবস উৎযাপন করল। নীলফামারীনিউজের উদ্যোগে সৈয়দপুর শহরে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশদের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়ার মাধ্যমে ভালবাসা ভাগাভাগি করে নেয় সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় অতিথি জাতীয় যুব সংহতির পৌর আহ্বায়ক নীলফামারী-৪ আসনের সাংসদ, বিরোধীদলীয় হুইপ আলহ্বাজ শওকত চৌধুরীর প্রতিনিধি রওশন মাহানামা, নীলফামারীনিউজ পত্রিকার এডিটর ইন চিফ এন্ড পাবলিশার মহিবুল্লাহ আকাশ, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হোসেন তাহমিদ ইমাম মুক্তা, নির্বাহী সম্পাদক জাহিদুল হাসান জাহিদ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহাবুল ইসলাম উজ্জ্বল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আরিফ মন্ডল রিফান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট খলিলুর রহমান খলিল, পাঠক ফোরামের তুয়েল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ভালবাসা বিনিময় অনুষ্ঠানে সৈয়দপুরে কর্মরত ২৩ জন ট্রাফিক পুলিশকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় ব্যতিক্রমীভাবে ফুল পেয়ে ট্রাফিকরা অনেক আনন্দ ও উচ্ছাস প্রকাশের পাশাপাশি নীলফামারীনিউজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানের ব্যাপারে নীলফামারীনিউজ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হোসেন তাহমিদ ইমাম মুক্তা বলেন, আমাদের সৈয়দপুর শহর শিল্প-বাণিজ্যে সমৃদ্ধ হওয়াতে এখানে যানজটের ধকল অত্যাধিক বেশী। আমাদের চলাফেরা ঝামেলামুক্ত রাখতে এই ট্রাফিক পুলিশের ভাইরা রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে সারাদিন-রাত দাড়িয়ে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। কিন্তু তাদের প্রতি আমরা কোন সহানুভূতি বা ভালবাসা প্রদর্শন করি না। তিনি বলেন, আমাদের ওই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। তারা আমাদের যে সেবা দিচ্ছেন তার বিনিময়ে আজকে ভালবাসা দিবসে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার মাধ্যমে তাদের সাথে ভালবাসা বিনিময় করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

Leave A Reply

Your email address will not be published.