Connect with us

আন্তর্জাতিক

তুরস্কের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, হতাহত ৬২

Published

on

তুরস্কের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, হতাহত ৬২
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
তুরস্কের বার্তিন প্রদেশে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ এ দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন ১১ জন। এ ছাড়া খনি থেকে আরও ৫৮ শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে একজনের অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সয়লু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, টিটিকে আমাসরা মুয়েসেস মুদুরলুগু নামের ওই খনিতে শুক্রবার বিস্ফোরণের সময় কমপক্ষে ১১০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এর অর্ধেকই ৩০০ মিটারের বেশি গভীরে ছিলেন। শহরের গভর্নরের দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, খনির অন্তত ৩০০ মিটার নিচে বিস্ফোরণ ঘটে।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সয়লু সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সময় খনিতে ১১০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এ পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে বিস্ফোরণের কারণ উদঘাটনে স্থানীয় প্রসিকিউটর কার্যালয় তদন্ত শুরু করেছে।

তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রী ফাতিহ দনমেজ বলেছেন, কয়লা খনিতে জমে থাকা মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

অন্যদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান এক টুইট বার্তায় বলেছেন, আমাদের আশা, প্রাণহানি আর বাড়বে না। অন্য খনি শ্রমিকদের জীবিত উদ্ধার করা যাবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার বিচারিক তদন্ত করা হবে। সূত্র: বিবিসি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আন্তর্জাতিক

খেরসনে ‘বিজয়ের’ পর ইউক্রেনজুড়ে উল্লাস

Published

on

ইউক্রেনের খেরসন শহর থেকে রাশিয়া তাদের সেনা প্রত্যাহার করার পর সেখানকার মানুষ ইউক্রেনীয় সেনাদের উল্লাস করে স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়া ইউক্রেনজুড়ে বিজয়োল্লাস করেছেন দেশটির জনগণ।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, খেরসন শহরের মানুষ ইউক্রেনের পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে এসেছেন। ইউক্রেনীয় সেনাদল শহরে ঢোকার পর স্লোগান দিয়ে তাদের স্বাগত জানান তারা। বড় আগুনের কুণ্ডলীর চারপাশে জড়ো হয়ে লোকজনকে সারা রাত ধরে দেশাত্মবোধক গান গাইতেও দেখা যায়।

গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর খেরসন ছিল একমাত্র আঞ্চলিক রাজধানী, যেটি রুশরা দখল করতে পেরেছিল। সেখান থেকে রুশ সৈন্যদের পিছু হটাকে এ যুদ্ধে রাশিয়ার জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মস্কো জানিয়েছে, খেরসন থেকে তারা ৩০ হাজার সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। সেইসঙ্গে সেখান থেকে প্রায় ৫ হাজার সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্রশস্ত্র এবং অন্যান্য জিনিসও তারা সরিয়ে নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার এই পশ্চাৎপসরণকে এক ‘অসাধারণ বিজয়’ বলে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এটিকে তার দেশের জন্য এক ‘ঐতিহাসিক দিন’ বলে বর্ণনা করেন।

তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে। কম্বোডিয়ায় আসিয়ান দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলনে গিয়ে দিমিত্রি কুলেবা বলেন, “আমরা যুদ্ধের ময়দানে জয়লাভ করছি। কিন্তু যুদ্ধ চলবে।”

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবরে বলা হচ্ছিল- ইউক্রেনের সেনারা নিপ্রো নদীর একেবারে পশ্চিম তীর পর্যন্ত চলে এসেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এই নদী পার হওয়ার প্রধান একটি সেতু, আন্তোনিভস্কি সেতু আংশিক ধসে গেছে। কিভাবে এই সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেটা পরিষ্কার নয়।

যে রুশ সেনারা খেরসন দখল করে নিয়েছিল, তারা এখন নদীর পূর্বদিকে চলে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। খেরসনের একজন বাসিন্দা রুশ সেনারা চলে যাওয়ার পর সেখানকার পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, সেখানে লোকজন রাস্তায় নেমে আবেগে গান গাইছেন, নাচছেন।

আলেক্সি সানদাকভ বিবিসিকে বলেন, খেরসন এখন মুক্ত। সবকিছু এখন বদলে গেছে। সবাই আজ সকাল থেকে কাঁদছে। শহরে আসা ইউক্রেনীয় সেনাদের সবাই আলিঙ্গন করতে চাইছে।

রাশিয়ার অধিকৃত এলাকাগুলোতে যে গণভোটের আয়োজন করা হয়, তারপর হতে ক্রেমলিন খেরসনকে নিজেদের দেশের অংশ বলে দাবি করছিল।

রাশিয়া খেরসন হতে তাদের সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিল গত বুধবার। তারা বলেছিল, এ শহরে আর রসদ সরবরাহ করা যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার সেখানে রুশ সৈন্যদের সেরকম পিছু হটার দৃশ্য চোখে পড়েনি। কিন্তু শুক্রবার ঘটনা ঘটতে থাকে বেশ দ্রুত।

খেরসনের ফ্রিডম স্কোয়ারে ইউক্রেনের পতাকা দুলিয়ে ভিড় করেন বহু বেসামরিক মানুষ। তারা ইউক্রেনের সেনাদের স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছিল।

এদিকে রাশিয়ায় অবশ্য খেরসন থেকে পিছু হটে আসার এ ঘটনার গুরুত্বকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করছে ক্রেমলিন। তারা সেখান থেকে রুশ সেনাদের প্রত্যাহারের ঘটনাকে ‘নতুন করে মোতায়েন’ বলে বর্ণনা করছে।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনে বাজারে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৭

Published

on

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্কের আভদিভকা শহরের একটি বাজারে রাশিয়ার বিমান হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও আটজন।

বুধবার (১২ অক্টোবর) এই হামলা চালানো হয়। দোনেৎস্কের আঞ্চলিক গভর্নরের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

দোনেৎস্কের আঞ্চলিক গভর্নর পাভলো কিরিলেনকো সামাজিক যোগাযাগমাধ্যমে টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, আভদিভকাতে আজ সকালে রাশিয়ার বিমান হামলায় কমপক্ষে সাতজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন।

এদিকে, রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় শহর খেরসন এবং মেলিতোপোলেও বুধবার পাঁচটি বিস্ফোরণ ঘটেছে ।

রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ বলেছে, খেরসনে অন্তত পাঁচটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের এই ঘটনার পর সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।
গত শনিবার (৮ অক্টোবর) ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়ার যোগাযোগের একমাত্র সেতু কার্চ ব্রিজে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বিস্ফোরণের জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপরই ইউক্রেনে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।

এদিকে ক্রিমিয়া ব্রিজে বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে আটজনকে আটক করেছে রুশ গোয়েন্দারা। রুশ গোয়েন্দা সংস্থা রাশিয়াস ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) জানায়, আটকদের মধ্যে পাঁচজন রুশ ও বাকিরা ইউক্রেন ও আর্মেনিয়ার নাগরিক।

সূত্র: এএফপি

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৩৩

Published

on

নেপালের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কারনালি প্রদেশের সুরখেত এলাকায় গত এক সপ্তাহে বন্যা-ভূমিধসে অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে আরও ২২ জন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বুধবার (১২ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক সপ্তাহে প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে কয়েক শ বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে ঠিকমতো পৌঁছাতে পারছেন না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নেপালি সংবাদমাধ্যম অন্নপূর্ণা পোস্টকে পুলিশের এক মুখপাত্র বলেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তাদের পাঠানো হচ্ছে।

সুরখেতে উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কালিকট জেলা থেকে নিখোঁজের সংবাদ বেশি আসছে। প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাষ পাওয়ার পর কয়েক হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

নেপালের জরুরি সেবা বিভাগ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, কারনালি প্রদেশে কারনালি নদীর পানি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৩৯ ফুট বেড়ে যাওয়ায় কয়েকটি সেতু ভেসে গেছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা জানিয়েছে, নেপালের পশ্চিমাঞ্চলে দুর্গতদের মধ্যে খাবার ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

নেপালের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বর্ষায় নেপালে প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়ে অন্তত ১১০ জন নিহত হয়েছেন। সূত্র: বিবিসি

Continue Reading