Connecting You with the Truth

হোয়াইট গোল্ড খ্যাত নড়াইলে চিংড়ি চাষে দুর্দিন

নড়াইল চিংড়িউজ্জ্বল রায়, নড়াইল: হোয়াইট গোল্ড খ্যাত চিংড়ি চাষে দুর্দিন চলছে নড়াইলে। উৎপাদিত চিংড়ির উপযুক্ত দাম না পাওয়া, মানসম্মত পোনার সংকট, খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় চিংড়ি চাষে চাষীরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলায় এ অঞ্চলে চিংড়ি চাষ উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। এ অবস্থায় এ চাষের ভবিষৎ নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট চাষীরা। প্যাকেজ প্রাকৃতিক উৎসের রেণুপোনার সহজলভ্যতা, চিংড়িখাদ্যের কমদাম, ভাল উৎপাদন, সর্বপরি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা থাকার ফলে খরচের তুলনায় কয়েকগুন দাম পাওয়ায় নব্বই দশকের প্রথম দিক থেকে নড়াইল জেলায় ঘেরে মিঠা পানির গলদা চিংড়ি চাষ ব্যাপক প্রসার লাভ করে, কিন্তু সরকার বিগত কয়েক বছর যাবত প্রাকৃতিক উৎসের রেণু আহরণ নিষিদ্ধ করার ফলে চিংড়ি চাষ নির্ভরশীল হয়ে পড়ে হ্যাচারিতে উৎপাদিত রেণুপোনার উপর। অথচ সা¤প্রতিক বছরগুলোতে চাষীরা হ্যাচারির পোনা ঘেরে দিয়ে কাঙ্খিত উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হন। তাছাড়া খরচ অনুপাতে উৎপাদিত চিংড়ির দাম না পাওয়াসহ বিদ্যমান নানা প্রতিকুলতাতো রয়েছেই। এ বাস্তবতায় নড়াইল জেলায় হোয়াইট গোল্ড খ্যাত চিংড়ি চাষের ভবিষৎ নিয়ে শংঙ্কিত চাষীরা। বিদ্যমান নানা সমস্যায় চিংড়ি চাষ আশঙ্কা জনকভাবে কমে এসেছে দাবি করে, সম্ভাবনাময় এ চাষের বিকাশে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের উপর গুরুত্বদেন ঘের মালিক সমিতির এই নেতা। নানা সমস্যা থাকা সত্তেও চিংড়ি চাষের স¤প্রসারনে মৎস্য বিভাগের নানা উদ্যোগ সম্পর্কে জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা। ২ হাজার ৫ শত ২৯ হেক্টর জমিতে ২ হাজার ৬ শত ২১ টি চিংড়ির ঘের রয়েছে। যার মধ্যে ১ হাজার ৮শত ঘের রয়েছে নড়াইল সদর উপজেলায়, লোহাগড়া উপজেলায় রয়েছে ২শ টি এবং কালিয়া উপজেলায় রয়েছে ৬ শ ২১ টি। ২ হাজার ৫ শত ২৯ হেক্টর জমিতে ২ হাজার ৬ শত ২১ টি চিংড়ির ঘের রয়েছে। যার মধ্যে ১ হাজার ৮শত ঘের রয়েছে নড়াইল সদর উপজেলায়, লোহাগড়া উপজেলায় রয়েছে ২শ টি এবং কালিয়া উপজেলায় রয়েছে ৬ শ ২১ টি।

Comments
Loading...